
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের নয়, এটি জাতির দিক পরিবর্তনের নির্বাচন। এটি জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা পূরণের নির্বাচন এবং মা-বোনদের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। আগামীর দেশ গড়বে যুবকরা।
সোমবার বিকাল ৪টায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সীতাকুণ্ড সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমীর বলেন, কেউ যদি টাকা দিয়ে ভোট কিনতে আসে, তাদের আইনের হাতে তুলে দেবেন। আগে একটা স্লোগান ছিল, আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব। এবার তা হবে না, যে দুটি ভোট দিতে আসবে তার হাত গুটিয়ে দেব। বীর চট্টলা একটা জেলায় আছে, সেটা চট্টগ্রাম। যারা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। আজ বাংলাদেশ বলে দিয়েছে।
তিনি বলেন, আজাদী জেগে উঠেছে, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া জোয়ার উঠেছে। স্বাধীনতার পর সরকার এসেছে, সরকার গেছে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে দিয়ে শুরু, এভাবে গাড়ি চলতে থাকবে। বাকিটা ইনশাআল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারী দেখবে। অতি বিচক্ষণ, সুশিক্ষিত, শিক্ষার্থীরা রায় দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে আমরা ধান্ধাবাজির পক্ষে নাই, আমরা ইনসাফের পক্ষে। ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হয়েছে ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ তারিখ ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের ১৮ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে সেটাই হবে।
জামায়াত আমির বলেন, ১২ তারিখ আমরা নিজেরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব এবং দেশের জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করবো। এ সময় তিনি সীতাকুণ্ডসহ ৮টি আসনের প্রার্থীকে জনগণের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমীর আলাউদ্দিন শিকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়েতের এ্যাসিটেন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, উত্তর জেলা শ্রমিক সভাপতি ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী এডভোকেট ছাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম -৪ আসনের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, চট্টগ্রাম -৫ আসনের প্রার্থী নাসির উদ্দিন মনির, চট্টগ্রাম -৬ আসনের প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু , চট্টগ্রাম -৭ আসনের প্রার্থী ডাঃ এটিএম রেজাউল করিম।
আরও বক্তব্য রাখেন সনাতন প্রতিনিধি দোলন দেব, কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম, ডাকসু ভিপি এসএম ফরহাদ, চবি শিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনি, উত্তর জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি শওকত আলী, হাসান ইমাম- আসন পরিচালক (ছাত্র), এনসিপি শাগুফতা বুশরা মিশমা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মাওলানা জাফরুল্লাহ নিজামী, এবি পার্টির জিয়া চেীধুরী, নেজামে ইসলাম পার্টি মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ আলী, হাফেজ জাকারিয়া খালেদ, সীতাকুন্ড উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, আকবরশাহ থানা আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সন্দ্বীপ উপজেলা আমীর মাওলানা সিরাজুল ইসলাম ফিরোজ, ফটিকছড়ি উপজেলা আমীর নাজিক উদ্দিন ইমু, ভুজপুর উপজেলা আমীর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, হাটহাজারী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক শোয়াইব চৌধুরী, রাউজান উপজেলা আমীর শাহজাহান মঞ্জু রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আমীর- মাওলানা হাসান মুরাদ, মিরসরাই উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুরুল কবির, জোরারগঞ্জ থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা নুরুল হুদা হামিদীসহ উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।