ঢাকা বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৯ মাঘ ১৪৩২

তারেক রহমানকে অমানবিক নি*র্যাতনের তথ্য ট্রাইব্যুনালে!

অনলাইন ডেস্ক

ছবি : সংগৃহীত

২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় তারেক রহমানকে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুম-খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ার সময় তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।ডিজিএফআই-এর বিতর্কিত ভূমিকা ও নির্যাতন সাবেক সেনাপ্রধান তাঁর জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ডিজিএফআই মূলত ক্ষমতার মূল কেন্দ্রে চলে আসে। সেই সময় বিভিন্ন মন্ত্রী ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের তুলে এনে নিজস্ব সেলে রেখে অমানবিক নির্যাতন করা হতো। এই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানকেও তুলে এনে চরম নির্যাতন করা হয়। জেনারেল ইকবাল করিমের মতে, বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর যা ইচ্ছা তা-ই করার মতো একটি বিপজ্জনক মনস্তাত্ত্বিক অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল সংস্থাটি

অপারেশন ক্লিন হার্ট ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি ২০০৩ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি জানান, র‍্যাব গঠনের আগে ওই অভিযানে বহু মানুষ মারা যান। যদিও সরকারি হিসেবে সংখ্যাটি কম দেখানো হয়েছিল, কিন্তু হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসেবে নিহতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০। তিনি অভিযোগ করেন, দায়মুক্তির আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে জড়িতদের এক ধরণের নির্বিচারে হত্যার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল

মামলার পটভূমি ও বিচারিক কার্যক্রম সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে আজ জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া এই জবানবন্দি দিলেন। এর আগে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম মামলার সূচনা বক্তব্য পেশ করেন। আসামীপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী নাজনীন নাহার ও মুনসুরুল হক চৌধুরী।

আরও পড়ুন