ঢাকা শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩২

নামাজরত মুসুল্লিকে তুলে এনে মারধরের অভিযোগ!

অনলাইন ডেস্ক

ছবি : সংগৃহীত

সন্দ্বীপে মসজিদে ঢুকে শিবিরের ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে পিটিয়ে জখম।

নিজস্ব প্রতিবেদক, সন্দ্বীপ | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাউরিয়া ইউনিয়নে তারাবির নামাজ পড়া অবস্থায় ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. জিহাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতে ৫নং ওয়ার্ডের জমির মাঝির মসজিদে এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ এসেছে। হামলায় গুরুতর আহত জিহাদ বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে জমির মাজির মসজিদে তারাবির নামাজ চলাকালীন জাসিব, নিরব, নাঈম এবং ইয়াবা জামালের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র যুবক মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নামাজের কাতার থেকে মো. জিহাদকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে মসজিদের আঙিনায় বের করে আনে।আহত জিহাদের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তাকে মসজিদ থেকে বের করার পর “কেন ছাত্রশিবির করিস?” এবং “নির্বাচনী প্রচারে কেন দাঁড়িপাল্লার হয়ে কাজ করলি?”—এমন প্রশ্ন তুলে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়।

হামলাকারীরা লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, সন্দ্বীপ উপজেলা।

এক বিবৃতিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, পবিত্র রমজান মাসে মসজিদের ভেতরে ঢুকে ইবাদতরত অবস্থায় একজন ছাত্রনেতার ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং ধর্মীয় পবিত্রতা লঙ্ঘনের শামিল।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ তিন দফা দাবি জানান:১. অভিযুক্ত জাসিব, নিরব, নাঈম ও ইয়াবা জামালসহ সকল সন্ত্রাসীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।২. রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।৩. সন্দ্বীপে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রশাসন যদি দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় না আনে, তবে সাধারণ ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ছাত্রশিবির সন্দ্বীপ উপজেলা সভাপতি কেফায়েত উল্লাহ।

এই বিভাগের আরও
আরও পড়ুন